এ দেশে থাকার অধিকার আপনাদের নেই: বিএনপিকে মায়া

এ দেশে থাকার অধিকার আপনাদের নেই: বিএনপিকে মায়া

বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, আমরা শান্তি চাই, দেশের অগ্রগতি চাই, তাই অনেক কিছু সহ্য করে থাকি। যদি শেখ হাসিনা একবার আওয়াজ দেন, আর যদি হুকুম দেন, বাংলাদেশে থাকার কোনো অধিকার আপনাদের থাকবে না।

তিনি বলেন, আন্দোলন করে আপনারা কী সফলতা পেয়েছেন বলেন তো? একটা উদাহরণ দেখাতে পারবেন। অনেকদিন ক্ষমতায় ছিলেন কী করেছেন? আর শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু থেকে শুরু করে প্রকল্প বাস্তব করছেন। সারাবিশ্ব তাকিয়ে থাকে। আর আপনারা বলেন, পাকিস্তানের আমল ভালো ছিল। এই দেশে থাকেন কেন, পাকিস্তানে চলে যান। এ দেশে থাকার অধিকার আপনাদের নেই। যারা মা-বোনদের ইজ্জত নষ্ট করেছে, ৩০ লাখ লোক শহীদ করছে দেশে থেকে তাদের গুনগান গাইবেন, এটা হবে না।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স(আইডিইবি) মিলনায়তনে ১৪ দলের এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। গণতন্ত্র ও উন্নয়নের অভিযাত্রা ব্যাহত করার হীন মানসে বিএনপিসহ দেশবিরোধী অপশক্তির সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এ সমাবেশে ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

মায়া বলেন, ওদের বিরুদ্ধে বলতে গেলে কয়েক মাস লাগবে। তাও শেষ হবে না। এত অত্যাচার করছে তারা, এগুলো সব মনে গাঁইথা রাখছি। আমার নেত্রী বলছেন, মাফ করে দেন। তা না হলে তারা যে অন্যায়-অত্যাচার নির্যাতন করছেন, রাতে কারফিউ, দিনে অত্যাচার। এই হলো বিএনপি, জিয়া, এরশাদ। আওয়ামী লীগের ইতিহাস আন্দোলনের ইতিহাস, টেনেহিঁচড়ে নামানোর ইতিহাস। বিএনপি, জাতীয় পার্টিকে আমরা টেনেহিঁচড়ে নামিয়েছি আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।

তিনি বলেন, বিএনপি দলটার তিনটা বৈশিষ্ট্য- মিথ্যাবাদী, সন্ত্রাস ও নালিশ পার্টি। মিথ্যা কথা বলে ও মানুষ মেরে সন্ত্রাসী করেছে। আর কথায় কথায় নালিশ করে। মিথ্যা না বলে তাও সত্য কথা বলেন। মিথ্যার ওপর ভর করে তাদের দলটা আজ চলছে। নয়া পল্টনে একই মুখ একই চেয়ার, একই জিনিস। আমি বলি, তাদের টিকিয়ে রেখেছে টিভি ও টেলিভিশনের ভাইয়েরা। নাইলে হারিকেন দিয়ে খুঁজে পাওয়া যাই তো না।
মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, রাজপথ কাউকে ইজারা দেইনি। আওয়ামী লীগের রাজপথের রাজনীতি করা দল। আন্দোলনের যারা জয়ী হয় ভোটেও তারা জয়ী হয়।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ১৪ দলের মুখপাত্র ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলের সদস্য আমির হোসেন আমু, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব শেখ শহিদুল ইসলাম, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017 ThemesBazar.Com