বাবর-রিজওয়ানের রেকর্ড জুটিতে পাকিস্তান ২০০ রানের টার্গেট ভাঙল সব উইকেট হাতে রেখে

বাবর-রিজওয়ানের রেকর্ড জুটিতে পাকিস্তান ২০০ রানের টার্গেট ভাঙল সব উইকেট হাতে রেখে

প্রথম ম্যাচে দেড়শ তাড়া করতে যেভাবে বেগ পেতে হয়েছে তাতে আজ ইংলিশরা ২০০ রানের লক্ষ্য দাঁড় করানোর পর ম্যাচের ভাগ্য লেখা হয়ে গিয়েছিল বলেই মনে হচ্ছিল।ধারাভাষ্যকার ও দুই দলের অধিনায়কের মতেও এটি ১৬০-৭০ এর পিচ। তবে ক্রিকেট যে গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা সেটি আজকের ম্যাচ আরেকবার প্রমাণ করে দিয়েছে।পাহাড়সম এই টার্গেট পাকিস্তান ভেঙেছে হেসেখেলেই।চার বল বাকি থাকতে লক্ষে পৌঁছে যাওয়া পাকিস্তান উইকেট হারায়নি একটিও।২০০ রানের জবাবে স্বাগতিক দলের দুই তারকা ওপেনার বাবর আজম ও রিজওয়ান শুরু থেকেই দৃঢ় সংকল্প ব্যাটিং করতে থাকেন।

শুরুতে ক্যালকুলেটিভ ব্যাটিং এ দুজনেই আস্কিং রেট এর সাথে তাল মিলিয়ে পাকিস্তানকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান। এরপর শেষ দিকে এই দুই ব্যাটসম্যান ইংল্যান্ড বোলারদের উপর রীতিমতো ঝড় বইয়ে দেন। ১০ ওভারে বিনা উইকেটে ৮৭ রান থাকা পাকিস্তান শেষ ৯ ওভারে তুলেছে ১১৬ রান। শেষ কয়েকটি টি-টোয়েন্টিতে রান না পাওয়া আক্ষেপ বাবর আজম এ ম্যাচে অনবদ্য এক সেঞ্চুরী করে ভুলেছেন। ৬৬ বলে পাকিস্তানি অধিনায়কের ১১০ রানের অপরাজিত ইনিংসটি সাজানো ছিল ১১ চার ও ৫ টি বিশাল ছক্কায়।

আরেক ওপেনার রিজওয়ানও কম যাননি। গত এক-দেড় বছরের জীবনের সেরা ফর্মে থাকা এই ওপেনার অপরাজিত ছিলেন ৫১ বলে ৮৮ রানের মারকুটে এক ইনিংস খেলে । উইকেট নেওয়া তো দূরের কথা ইংলিশদের কোন বোলারই এদিন এই দুই ওপেনারের রান বন্যা আটকাতে পারেননি। এ দুজনের অপরাজিত ২০৩ রানে টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের রেকর্ড সর্বোচ্চ জুটি। ১০ উইকেটে এই ম্যাচে জেতার মাধ্যমে পাকিস্তান সাত ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ সমতা আনল।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে মইন আলী ঝড়ো গতির অর্ধশত রানের উপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে রান তুলে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রান তুলেন। ওপেনার হেলস-সল্ট মিলে প্রথম পাঁচ ওভারে ৪২ রান তুলে স্বাগতিকদের ভালো শুরু এনে দিয়েছিলেন।তবে এরপর পাক পেসার দাহানি পরপর দুই বলে হ্যান্ডস ও মালান টা আউট করে পাকিস্তানকে ম্যাচে ফেরান।

চারে নামা বেন ডাকেট কাউন্টার অ্যাটাকিং এক ইনিংস খেলে উল্টো ইংল্যান্ডকে ম্যাচ শক্ত অবস্থানে নিয়ে আসেন।২২ বলে ৪৩ রানে ইনিংস খেলে ডাকেট আউট হওয়ার পরপরই ফিলিপ সল্টকেও হারায়।এরপর দৃশ্যপটে আসেন মঈন আলী। শুরু থেকে সমান তালে পিটিয়ে তিনি দ্রুতগতির এক ফিফটি তুলে নেন।২৩ বলে খেলা তার ৫৫ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল সমান চারটি চার ও ছক্কায়।১৯ বলে ৩১ রান করে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন হ্যারি ব্রুক। তো এই দুজনের ব্যাটে ভর করেই ১৭০-১৮০ রানের পথে এগুনো ইংল্যান্ড ২০০ রানের কাছাকাছি গিয়ে ইনিংস শেষ করতে পারে।পাকিস্তানের হয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন দাহানি ও রউফ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017 ThemesBazar.Com