আমি নিজ কানে শুনেছি,  উড়িয়ে দেওয়ার কোনো উপায় নেই, শেখ হাসিনাকে নিথর করার প্রসঙ্গে হারুনুর রশীদ

কয়েকদিন আগে সংসদে সবার সামনে সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেছিলেন প্রধান মন্ত্রীকে নিথর কার চক্রান্ত চলছে। যে বক্তব্যের পর সারাদেশে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এই বক্তব্য নিয়ে শুধু মাত্র সংসদে আলোচনা হয়েছে তা নয় বিতর্কের সৃষ্টি করেছে বিরোধী দলের নেতাদের মধ্যেও। তবে সবাই আড়ালে সমালোচনা করলেও মুখ বুঝে রইলেন না বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ।

তিনি বললেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হ/ ত্যার ষড়যন্ত্র সত্যিই আছে কি না তা তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ। বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ বুধবার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হ/ ত্যার ষড়যন্ত্র হয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের লোকজনও টাকার জন্য এই ষড়যন্ত্রে জড়িত।

আবুল কালাম আজাদের বক্তব্যের বরাত দিয়ে হারুন বলেন, আমি নিজ কানে শুনেছি, ক্ষমতাসীন দলের একজন সংসদ সদস্য সংসদে থাকা অবস্থায় এ বক্তব্য দিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি স্পষ্টভাবে জানতে চান। উড়িয়ে দেওয়ার কোনো উপায় নেই। এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে কারা জড়িত তা খুঁজে বের করতে সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন হারুন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট বক্তব্যও চেয়েছেন তিনি।

বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, যারা গুম হয়েছে তারা কি আইনের আশ্রয় পাবে না? লড়াইয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়া এক জিনিস আর নিখোঁজ হওয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা— এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার। ক্ষমতাসীন দল বলছে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে। প্রশ্ন উঠেছে, দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, যানবাহন দুর্ঘটনা কি কমেছে? নির্বাচনী ব্যবস্থার কী উন্নয়ন হয়েছে?

বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে ‘জাদুর বাক্স’ উল্লেখ করে বিএনপির এই সাংসদ প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, তিনি যাদের দায়িত্ব দিয়েছেন, তাদেরকে সংযতভাবে কথা বলতে বলুন। ইভিএম নিয়ে নির্বাচন কমিশনারদের বক্তব্যের সমালোচনা করেন তিনি। তিনি বলেন, তিনি দায়িত্ব নিয়ে বলছেন যে গত নভেম্বরে তার বোর্ডিং স্কুলে ইভিএম গ্রাজুয়েশন ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচন কমিশন যদি প্রমাণ করতে পারে যে কোনো ডাকাতি হয়নি, তাহলে জরিমানা দিতে হবে।

হারুন বলেন, ভারত বাংলাদেশকে পানিতে মারছে। তারা এদেশের বন্দর ব্যবহার করছে। কিন্তু বাংলাদেশকে ট্রানজিট দেওয়া হচ্ছে না। ভারত সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতের আনুগত্য থেকে নয়, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, তবে তা অবশ্যই সুরক্ষিত করতে হবে।

উল্লেখ্য, শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৫ই আগষ্ট নিথর কারা হয়। যে ঘটনায় ব্যাথিত সারাদেশের দেশ ও বঙ্গবন্ধু প্রেমিরা। তবে অনেক রাজনৈতিক নেতারা ধারনা করছে বঙ্গবন্ধুর মত তার কন্যাকেও সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। তবে সুধু যে বিরোধী দলের নেতারা এই ষড়যন্ত্র করছে তা নয় এদের সাথে আওয়ামী লীগেরও অনেক অসাধু নেতার জড়িত থাকতে পারে। এমন মন্তব্য করে শেখ হাসিনাকে সতর্ক করেছেন,  আওয়ামী লীগের  সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ।

About admin

Check Also

স্কুলে ডেকে এনে প্রেমিককে জাপটে ধরে রোমান্সে মাতলেন ছাত্রী, এলাকাজুড়ে হইচই

সিনেমায় রোমান্টিক দৃশ্য হরহামেশাই দেখা যায়, যে সময় প্রেমিক প্রেমিকার মনেও রোমান্স জাগে। এটাই স্বাভাবিক। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *